পোশাক কারখানায় বর্জ্য নিস্কাশন পদ্ধতি Waste Disposal Policy কি?

পোশাক কারখানায় বর্জ্য নিস্কাশন পদ্ধতি Waste Disposal Policy
পোশাক কারখানায় বর্জ্য নিস্কাশন পদ্ধতি Waste Disposal Policy কি?

বর্জ্য নিস্কাশন পদ্ধতি

নষ্ট টিউব লাইট, ভাঙ্গা গ্লাস এবং অন্যান্য বর্জ্য যদি রি-সাইক্লিং এর উপযোগী হয় তাহলে সাময়িকভাবে স্টোরে মাধ্যমে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা হয়, পরবর্তীতে এগুলো রি-সাইক্লিং এর জন্য  প্রস্ততকারকের নিকট বিক্রয় করা হয় অথবা স্থানীয় ক্রেতার নিকট বিক্রয় করা হয়।  AUTO নীটওয়্যার লিঃ কর্তৃপক্ষ আশা করে তার কারখানায় সৃষ্ট বর্জ্য দ্বারা পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই এবং যে কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তি থেকে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা বিষয়ক যে কোন ধরনের সুপারিশমালা, উপদেশ ইত্যাদি গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হয় এবং কর্তৃপক্ষ তার নীতির সাথে বিরোধ সৃষ্টি না করলে তার বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে। …

অটো নীটওয়্যার লিঃ এবং এর সকল কার্যক্রম নিম্ন লিখিত পদ্ধতিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকল্পে অঙ্গীকারাবদ্ধ। কর্তৃপক্ষ কাঁচামাল ব্যবহার, পণ্য উৎপাদন এবং বর্জ্য নিস্কাশনের সময় পরিবেশ রক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে ফ্যাক্টরীর অভ্যন্তরে ও বাহিরে এনভায়রনমেন্ট  ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম বা পরিবেশ ব্যবস্থাপনা  পদ্ধতি নিশ্চিত করার উপর জোর দেন। কর্তৃপক্ষ ফ্যাক্টরীর অভ্যন্তরে এবং চারদিকে পরিবেশ সহায়ক অবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল নীতি প্রয়োগে বদ্ধ পরিকর।

কোম্পানীর নিস্কাশিত বর্জ্য থেকে পরিবেশ ও কর্মী, এক কথায় সার্বিক সমাজ রক্ষার্থে কিছু  সুসংঘবদ্ধ কার্য পদ্ধতি  তৈরী  করেছে। সাধারনত ফ্যাক্টরীর নিস্কাশিত বর্জ্য হচ্ছে অব্যবহারযোগ্য কাপড়, খালি রাসায়নিক পদার্থের পাত্র, বর্জ্য কাপড়ের জন্য  ব্যবহৃত রাসায়নিক  পাত্র, স্টেশনারী বস্তু  প্রভৃতি।

বর্জ্য নিস্কাশন পদ্ধতি জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা নিম্নে দেয়া হলো ঃ

  • উৎপাদন ব্যবস্থাপনার প্রতিদিনের বর্জ্য, নিদিষ্ট কার্টুন বা বর্জ্যরে বক্সে জমা করা হবে বং প্রতি কর্ম দিনের শেষে এসব বর্জ্য ফ্যাক্টরীর বাহিরে নির্ধারিত নিরাপদ জায়গায় ফেলা হবে।
  • বিভিন্ন সেকশনের অব্যবহারযোগ্য কাপড়একটি কার্টুন বা বর্জ্য বক্সে রাখা হবে যাতে এগুলো ফ্লোরে ছড়িয়ে না পড়ে। বর্জ্য সংগ্রহ এবং নিস্কাশনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা, বর্জ্যের বক্স আনানেয়ার সময় যেন কোন বর্জ্য মাটিতে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
  • সকল অব্যবহারযোগ্য কাপড় নির্ধারিত নিরাপদ জায়গায় রাখতে হবে এবং সংরক্ষনের জায়গা সর্বদা শুকনা হওয়া উচিত।
  • খালি রাসায়নিক  পদার্থের পাত্রের অবশিষ্টাংশ ফ্যাক্টরীর বাহিরে নির্ধারিত খোলা শুকনো জায়গায় নিয়ে পরিস্কার করতে হবে। অবশিষ্টাংশ নিস্কাশনের জন্য বা অন্য কোন কারনে রাসায়নিক পদার্থের ড্রাম কাটা উচিৎ নয়।
  • রাসায়নিক পর্দাথের খালি পাত্র ফ্যাক্টরীতে ব্যবহার করা উচিৎ নয় বা কোন কারনে কোন কর্মীকে ব্যবহারের জন্য দেয়া উচিৎ নয়।
  • বর্জ্য নিস্কাশনে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য, তাদের সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিক এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে হবে।
  • বর্জ্য সরানোর সময় যেন বর্জ্য সরানোর পদ্ধতির কারনে কোথাও বর্জ্য ছড়িয়ে না পড়ে এবং এর ফলে কোন শ্রমিক / কর্মী ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্থ না হয় তা নিশ্চিত করা হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

অটো নীটওয়্যার লিঃ -এর সকল কার্যক্রম নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকল্পে অঙ্গীকারাবদ্ধ। কর্তৃপক্ষ কাঁচামাল ব্যবহার, পণ্য উৎপাদন এবং বর্জ্য নিস্কাশনের সময় পরিবেশ রক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে ফ্যাক্টরীর অভ্যন্তরে ও বাহিরে এনভায়রনমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম বা পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিশ্চিত করার উপর জোর দেন। কর্তৃপক্ষ ফ্যাক্টরীর অভ্যন্তরে এবং চারদিকে পরিবেশ সহায়ক অবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল নীতি প্রয়োগে বদ্ধ পরিকর।

কোম্পানীর নিস্কাশিত বর্জ্য থেকে পরিবেশ ও কর্মী, এক কথায় সার্বিক সমাজ রক্ষার্থে কিছু সুসংঘবদ্ধ কার্য পদ্ধতি তৈরী করেছে। সাধারনত ফ্যাক্টরীর নিস্কাশিত বর্জ্য হচ্ছে অব্যবহারযোগ্য কাপড়, খালি রাসায়নিক পদার্থের পাত্র, বর্জ্য কাপড়ের জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিক পাত্র, স্টেশনারী বস্তু প্রভৃতি।

বর্জ্য নিস্কাশন পদ্ধতি নির্দিষ্ট নীতিমালা নিম্নে উল্লেখ করা হলো ঃ

  • উৎপাদন ব্যবস্থাপনার প্রতিদিনের বর্জ্য, নিদিষ্ট স্থানে জমা করা হবে এবং প্রতি কর্ম দিনের শেষে এ সব বর্জ্য ফ্যাক্টরীর বাহিরে নির্ধারিত নিরাপদ জায়গায় ফেলা হবে।
  • প্রতি মাসে ২বার বর্জ্য সংগ্রহকারীর দায়িত্বে ফ্যাক্টরীর নির্ধারিত বর্জ্য হস্তানন্তর করতে হবে।
  • বর্জ্য সংগ্রহ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বর্জ্য নিস্কাশনের সময় যাতে কোন বর্জ্য মাটিতে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
  • সকল প্রকার বর্জ্য হস্তানন্তরের জন্য ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা / কর্মচারীর সমন্বয়ে একটি কমিটি থাকবে। যেখানে যথাক্রমে ষ্টোর = ০১ জন, এডমিন = ০১ জন, প্রডাকশন (গার্মেন্টস) = ০১ জন এবং সিকিউরিটি সেকশন থেকে = ০১ জনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। তাদের দায়িত্ব হবে সঠিক হিসাব নিরুপন ও সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা তৈরি করা।
  • ফ্যাক্টরীর বর্জ্য হস্তানন্তরের পর যাবতীয় তথ্যাদী / হিসাব সংরক্ষনের জন্য ষ্টোর বিভাগ একটি রেজিষ্টার খাতা সংরক্ষন করবে।
  • বর্জ্য নিস্কাশনে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য, তাদের সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিক এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে হবে।
  • বর্জ্য সরানোর সময় যেন বর্জ্য সরানোর পদ্ধতির কারনে কোথাও বর্জ্য ছড়িয়ে না পড়ে এবং এর ফলে কোন শ্রমিক / কর্মী ও এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্থ না হয় তা নিশ্চিত করা হবে।

By Mashiur

He is Top Class Digital Marketing Expert in bd based on Google Yahoo Alexa Moz analytics reports. He is open source ERP Implementation Expert for RMG Industry. He is certified IT Professional from Aptech, NCC, New Horizons & Post Graduated from London Metropolitan University (External) in ICT . You can Hire him. Email- [email protected], Cell# +880 1792525354

Leave a Reply